বাড়িএক্সক্লুসিভ নিউজধর্মপাশায় ফসলরক্ষা বাঁধের প্রকল্প কাজে পিআইসি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ

ধর্মপাশায় ফসলরক্ষা বাঁধের প্রকল্প কাজে পিআইসি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ

হাওরে বা ফসলরক্ষা বাঁধ সংলগ্ন বোরো জমি না থাকলেও সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের চন্দ্র সোনার থাল হাওরের একটি ফসলরক্ষা বাঁধের ৬৯ নম্বর প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি ( পিআইসি) তে বিধিবহির্ভূতভাবে আবু সুফিয়ান কে সভাপতি ও মো.আমির হোসেনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই কমিটি বাতিল করে নতুন করে পিআইসি গঠন করার দাবি জানিয়ে ওই ইউনিয়নের হুলাসখালি গ্রামের কৃষক মো.আমির হামজা (৬০) এ নিয়ে গতকাল রবিবার (২৩জানুয়ারি) বিকেলে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে।

ইউএনওর কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় এলাকার মানুষজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের রাজাপুর দক্ষিণহাটি গ্রামের বাসিন্দা আবু সুফিয়ান (২৯) ও মো.আমির হোসেন (৩৩)। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবোর) নীতিমালা অনুযায়ী,হাওরে বা ফসলরক্ষা বাঁধ সংলগ্ন বোরো জমি আছে, এমন সব কৃষকেরাই ফসলরক্ষা বাঁধের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) তে অন্তর্ভূক্ত হতে পারবে।কিন্তু ওই দুজন কৃষকের হাওরে কোনোরকম জমি জমা নেই। তাঁরা কখনো কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে বিধিবহির্ভূত ভাবে উপজেলার চন্দ্র সোনার থাল হাওরের ৬৯ নম্বর পিআইসিতে ওই দুজনের মধ্যে একজন সভাপতি ও অপরজন সদস্য সচিব পদে স্থান পেয়েছেন।

সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হুলাসখালি গ্রামের বাসিন্দা কৃষক মো.আমির হামজা (৬০)বলেন, চন্দ্র সোনার থাল হাওরের ৬৯ নম্বর পিআইসি কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিব পদে যিনি রয়েছেন হাওরে এক ইঞ্চি পরিমাণ জমিও তাঁদের নেই। কৃষিকার্ড নেই। তাঁরা জমির ভূয়া পরচা ও ভূয়া কৃষি কার্ড দাখিল করেছে। পাউবোর বাঁধের কাজের সংশ্লিষ্ঠদেরকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে এই কাজটি তাঁরা ভাগিয়ে নিয়েছেন। এতে করে প্রকৃত কৃষকেরা বঞ্চিত হয়েছে। এই কমিটি বাতিল করার জন্য আমি ইউএনও স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।

পিআইসি কমিটির সভাপতি আবু সুফিয়ান দাবি করেন, উপজেলার চন্দ্র সোনার থাল হাওরে আমাদের (সভাপতি ও সদস্য সচিব) বোরো জমি রয়েছে। জমির কাগজপত্র ও কৃষি কার্ড সবকিছুই সঠিক রয়েছে। কাউকে টাকা দিয়ে পিআইসি আনিনি। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে হয়রানি করার জন্য আমাদের দুজনকে জড়িয়ে এ ধরণের মিথ্যা অপবাদ রটানো হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.মুনতাসির হাসান বলেন, তদন্ত করে অভিযোগটির সত্যতা পাওয়া গেলে এ ব্যাপারে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments