
জামাল উদ্দিন,নলডাংগা(নাটোর) নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার কৃষকরা লাইলা পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। নলডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন হাটে পাইকারী প্রতি মণ পেঁয়াজ ৭০০- ৮০০টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে। এই দরে পেঁয়াজ বিক্রয় করে উৎপাদন খরচের টাকা উঠছে না। ফলে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে উপজেলার সাধারণ কৃষকরা। পেঁয়াজ বিক্রি করে লোকসান গুনছে কৃষকরা। পেঁয়াজ চাষ করে লাভ তো দূরের কথা উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কৃষকরা। পেঁয়াজের নায্য মূল্য নির্ধারনের দাবী পেঁয়াজচাষীদের। পেঁয়াজ মৌসুমে সঠিক দাম না পাওয়ার জন্য ভারত থেকে আমদানি করাকে দূষছেন কৃষকরা। তারা বলেন,ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি না হলে কৃষক পেঁয়াজের ভালো দাম পেতো। পেঁয়াজের নায্য দাম নির্ধারনের দাবী পেঁয়াজ চাষীদের পেঁয়াজ বিক্রি করে লোকসান গুনছে কৃষকরা।পেঁয়াজ চাষ করে লাভতো দুরের কথা উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে কৃষকদের কপালে দুশচিন্তার ভাঁজ।
উপজেলার মাধবপুর গ্রামের কৃষক মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন,লাইলা পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে তবে যে দাম তাতে খরচের টাকাই উঠছে না। মণ প্রতি ১৫০০ টাকা খরচ পড়েছে। আমরা ৬০০-৭০০ টাকা দরে বিক্রি করছি। আমরা তো অর্ধেক দামও পাচ্ছি না।
উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের আরেক কৃষক বিমল কুমার বলেন,১ বিঘা জমি ৪০ হাজার টাকা দিয়ে বর্গা নিয়েছি। ৩ হাজার টাকা মন বীজ কিনেছি। এছাড়াও সার,কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এই দামে পেঁয়াজ বিক্রয় করে খরচের টাকা উঠছে না। পেঁয়াজ বিক্রয় করে লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছি না।
নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার
মোঃ সবুজ আলী বলেন,কৃষক যাতে পেঁয়াজের সঠিক মূল্য পান,এই বিষয়ে উর্ধতন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যাপারে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।

