বাড়িঅন্যান্যরামপ্রসাদ-দরবস্ত রাস্তার কাজে নানান অনিয়ম রহস্যজনক কারনে এলজিইডি ব্যবস্থা নেননি

রামপ্রসাদ-দরবস্ত রাস্তার কাজে নানান অনিয়ম রহস্যজনক কারনে এলজিইডি ব্যবস্থা নেননি

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার রামপ্রসাদ টু দরবস্ত রাস্তার পাকা করণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও অসঙ্গতি নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলেছেন। জৈন্তাপুর উপজেলা এলজিইডি অধিদপ্তরকে জানালে কোন প্রতিকার ব্যবস্থা গ্রহণ হচ্ছে না৷ এলাকাবাসীর দাবী রাস্তা নির্মানের ৬মাস থাকাবে কি না রয়েছে রহস্য।

এলাকাবাসীর সংবাদের ভিত্তিত্বে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কন্টাকটার নিজের ইচ্ছা মাফিক ভাবে কাজের নির্ধারিত নিময় না মেনেই পলিমাটি মিশ্রিত বালু, পচা ইটের খোয়া এবং পরিত্যাক্ত মানহীন ইট হেজাং হিসাবে ব্যবহার করে রাস্তার কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া রাস্তার কাজের সময় উপজেলা এলজিইডির একজন কর্মকর্তা সার্বক্ষনীক তদারকির দায়িত্বে থাকলেও সেখানে কোন তদরকি কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। কাজের মান নিয়ে এলাকাবাসী হাবিবুর রহমান, জামাল উদ্দিন, ফখর আহমদ, মাহবুব আহমদ, মখলিছ আহমদ, সালাম উদ্দিন, মান্নান উদ্দিন, হারুন রশিদ, সাদ উল্লাহ, মাওলানা নুরুল ইসলাম, সাজু আহমদ প্রশ্ন তুলেও কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই বন্ধের দিন শুক্রবার ও শনিবার বেশি শ্রমিক নিয়োগ করে দ্রæত গতিতে কাজ করেছে টিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এনিয়ে প্রতিবেদক দুই দফা উপজেলা প্রকৌশলী এ. কে. এম রিয়াজ মাহমুদ নিকট কাজের কেটেশন সম্পর্কে ও মালামালের জানতে চাইলে তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

উপজেলা প্রকৌশলী এ. কে. এম রিয়াজ মাহমুদ কাজে রাস্তার কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কথা বলে এসেছি। কিন্তু সরজমিনে দ্বিতীয় দফা এলাকাবাসীর অনুরোধে ঘটনা স্থালে গিয়ে দেখাযায় নিম্নমানের (মানহীন) সামগ্রী পঁচা ইটের খেয়া, নাম্বার বিহীন ইট ও পলি মিশিত বালু দিয়ে রাস্তার হেজাং হিসাবে দেদারছে ব্যবহার করে যাচ্ছে টিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। এলাকাবাসীর দাবী এভাবে কাজ করার চাইতে না করাই ভাল। তারা বলেন, স্থানীয় এলজিইডি কর্মকতা উপস্থিত থেকেই কাজ করার ফলে ৬মাস যাওয়ার আগেই রাস্তাটি পুনরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। তারা আরও বলেন, বিষয়টি মাননীয় সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদোশিক কর্মর্সস্থান মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ এম.পি, সিলেটের জেলা প্রসাশক, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা এলজিইডি বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সহ জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

জৈন্তাপুর উপজেলা প্রকৌশলী এ. কে. এম রিয়াজ মাহমুদ বলেন, আমি বিষয়টি দেখছি। এর আগেও তাদেরকে নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নিতে বলেছে। তবে বন্ধের দিন কাজের কথা তিনি অস্বীকার করেন। ভিডিও দেখতে লিংকে ক্লিক করুন https://youtu.be/U1GUMhyOozM

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments