
রৌমারী(কূড়িগ্রাম)নিজস্ব প্রতিনিধি
চোরাচালান দমনে বিশেষ অবদানের জন্য বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জামালপুর ব্যাটালিয়ন (৩৫-বিজিবি) এর নায়েক মো. কাউছার মিয়া প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ২০২৫ সালে বিপুল পরিমাণ চোরাচালান মালামাল আটক করতে সক্ষম হওয়ায় তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। বুধবার বিজিবি দিবস ২০২৫ উপলক্ষ্যে মহাপরিচালক কর্তৃক এই পুরুস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর ৩৫ ব্যাটালিয়নে কর্মরত থাকা কালে নায়েক মোঃ কাউছার মিয়া বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত চোরাচালান বিরোধী অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সীমান্ত এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও দায়িত্ব পালনে তিনি ছিলেন দৃঢ় ও সাহসী। তার কার্যকর ভূমিকার কারণে মাদক, ভারতীয় বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যসহ অবৈধ চোরাচালান সামগ্রী জব্দ করা সম্ভব হয়, যাহা রাষ্ট্রীয় রাজস্ব সুরক্ষা ও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তার এই কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ-এর”মহাপরিচালক মহোদয়”নায়েক মোঃকাউছার মিয়া কে একটি নগদ চেক, একটি ক্রেস্ট এবং মহাপরিচালকের স্বাক্ষরিত প্রশংসাপত্র প্রদান করেন। বিজিবির বার্ষিক মূল্যায়নের অংশ হিসেবে চোরাচালান দমনে সেরা পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তাকে প্রথম স্থান প্রদান করা হয়।
নায়েক মোঃ কাউছার মিয়ার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চান্দপুর গ্রামে। বর্তমানে তিনি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টা পাড়া বিজিবি ক্যাম্পে সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে তিনি নিয়মিত টহল ও অভিযানে অংশ নিচ্ছেন।
তার এই অর্জনে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এমন সাফল্য ধরে রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে পরিবার ও এলাকাবাসী তার সাফল্যে গর্বিত ও আনন্দিত বলে জানা গেছে।

