
নাজমুল হক,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)নিজস্ব প্রতিনিধি
ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়ারৈর ঊত্তরবঙ্গের মুল প্রবেশ দ্বার চন্দ্রা এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঈদে নাড়ির টানে বাড়িতে যাওয়া যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। তবে সকালে একটু চাপ কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে চন্দ্রায় এলাকায় যাত্রীদের চাপ বাড়ছে এদিকে চন্দ্রা টু নবীনগর-মাহসড়ক ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন চলছে ধীর গতিতে ।
পবিত্র ঈদুল ফিতর ঊপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উদযাপন করতে নানা প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ ঢাকা রাজধানী ও গাজীপুর ছাড়ছেন ।যাত্রীদের নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌছানোর জন্য চন্দ্রা ত্রিমোর এলাকায় মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রনে ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হাইওয়ে পুলিশ,জেলা পুলিশের পাশাপাশি অন্যন্য গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ব্যপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছেন ।
এছাড়াও মহাসড়কের কয়েকটি পয়েন্টে যাত্রীদের নিরাপত্তা জোরদারে চেক পোস্ট বসিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ । তবে গাজীপুর শিল্প অদ্যশিত অঞ্চল হওযায় অধিকাংশ কারখানা শুক্রবার ও শনিবার ঈদের ছুটি দিবে যার কারণে শুক্রবার থেকে যাত্রীদের ভীর আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকরা ।এদিকে যানজট নিরসনে ও যাত্রী ভোগান্তি কমাতে কোন অপ্রিতিকর ঘটনা এরাতে মহাসড়কে দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছে ।
অপরদিকে চন্দ্রা এলাকার আসে পাশের লোকাল বাস কাউন্টার গুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এতে করে মহাসড়কে যানজট কমবে ।তাছাড়ার এবার রাজধানীসহ গাজীপুর থেকে প্রায় দেরকোটি মানুষ ঈদের ছুটিতে যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা । তবে অনেক কাউন্টার তাদের লোকজন দিয়ে মহসড়কের ফুটপাতে ভ্রাম্যমান টিকিট বিক্রি করছেন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দিগুন দামে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা ।মোহাম্মদ আলী,জুলফিকার হোসেন নামের যাত্রী জানান রংপুরের বাস ভাড়া ৬০০ টাকা আর ঈদ উপলক্ষে নেযা হচ্ছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। তবে বাস কাউন্টারের লোকজনের বক্তব্য ভিন্ন ঊত্তরবঙ্গের যাত্রী কাউন্টারের টিকিট মাস্টার মোতালেব জানান আমরা বেশি ভাড়া নিচ্ছি না তবে ঈদ উপলক্ষে ২ থেকে ৩ শত টাকা বেশি নিচ্ছি। আমরা তো আর ঈদের বোনাস পাইনা। তাই ঈদের সময় এ তিনশত টাকা বেশি নেই ।
হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক মো: দেলোয়ার হোসেন মিয়া গত বুধবার দুপুর বারোটায় চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় হাইওয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন, যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন। যাত্রীদের সুষ্ঠভাবে যাতায়াত নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মো: দেলোয়ার হোসেন মিয়া।