বাড়িবাংলাদেশেসিলেট বিভাগধর্মপাশায়, দুই মৎস্যজীবী সমিতির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, তদন্তে ডিসি কমিটি।

ধর্মপাশায়, দুই মৎস্যজীবী সমিতির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, তদন্তে ডিসি কমিটি।

রবি মিয়া, ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)নিজস্ব প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় জলমহাল ইজারা নিয়ে দুই মৎস্যজীবী সমিতির মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। রূপসী বাংলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি অভিযোগ করেছে, সুমেশ্বরী কারাবাধ মৎস্যজীবী সমিতি জলমহাল আইন লঙ্ঘন করে বিল শুকিয়ে মাছ শিকার, রাস্তা কেটে কৃষকদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো এবং সাব-ইজারা দিয়েছে। তবে অভিযুক্ত সমিতি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং তারা ঘটনাস্থলে সরেজমিন তদন্ত করে। তদন্তের সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় এবং পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।

রূপসী বাংলা সমিতির সভাপতি আবুল কালাম লিখিত অভিযোগে জানান, বিগত সরকারের আমলে ক্ষমতার প্রভাব কাজে লাগিয়ে সুমেশ্বরী কারাবাধ সমিতি মধ্যনগর উপজেলার নান্না দশপাশা ও পাশুয়া হারুয়া জলমহালটি ইজারা নেয়। এরপর তারা নিয়ম লঙ্ঘন করে বিল শুকিয়ে মাছ শিকার ও জলমহাল ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম করে।তিনি আরো বলেন,

২১ /২ /২০২৫ তারিখে নান্না দশপাশা বিলে শেলৌ মেশিন দিয়ে বিল শুকিয়ে মাছ শিকার করার দৃশ্যের ছবি তুলায় আতিক নামে এক কৃষক সুমেশ্বরী কারাবাধ সমিতির সদস্যদের হাতে মারধরের শিকার হন।পরে ভুক্তভোগী মধ্যনগর থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ এসে মেশিন জব্দ করে। যাহা সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন প্রত্রিকায় এ খবর চাপানো হয়।

তবে, সুমেশ্বরী কারাবাধ মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যরা এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, তারা নিয়ম মেনেই জলমহাল পরিচালনা করছেন।

এদিকে, স্থানীয় কৃষকরা মনে করেন, জলমহাল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তাদের সুবিধার কথাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত

দুই মৎস্যজীবী সমিতির লোকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় তদন্ত কমিটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments