
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার আওতাধীন মসজিদসমূহের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মধ্যে ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমারখালী উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কুমারখালী পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে দোয়া প্রত্যাশী খান আতিকুর রহমান সবুজ এই উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।
শনিবার ১৪ মার্চ দুপুরে কুমারখালী শহরের সাংবাদিক কাঙ্গাল হরিনাথ স্মৃতি জাদুঘর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পৌরসভার ৩৪ মসজিদের ৮৭ জন খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের হাতে নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দেন অত্র অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ।
যুবদল নেতা আতিকুর রহমান সবুজের সার্বিক উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন খতিব ও সাংবাদিক মাহমুদ শরীফ। সভাপতিত্ব করেন কুমারখালী থানা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আবু দাউদ।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি-সাহিত্যিক ও নাট্যকর লিটন আব্বাস।
ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা মনোয়ার হোসেন।
বিশেষ বক্তা ছিলেন সাংবাদিক লিপু খন্দকার, খতীব হাফেজ মুফতি খালিদ সাইফুল্লাহ, হাফেজ মাওলানা মুফতি দেলোয়ার হোসাইন ও মাওলানা হাফেজ আব্দুস সালাম বিন ইউসুফ।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, হাফেজ বিল্লাল হোসেন, মাওলানা জহির বিন মাজিদ প্রমূখ।
উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল নগদ টাকা, বস্ত্র, সেমাই, চিনি, তেল, ডাল, লবন, সাবান, দুধ, মসলা, কিসমিস, ডিটারজেন্ট প্রভৃতি।
এ বিষয়ে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজক আতিকুর রহমান সবুজ বলেন, সমাজের নৈতিকতা, সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা প্রতিদিন মানুষের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষা ও সঠিক পথের দিকনির্দেশনা পৌঁছে দেন। আমার ইচ্ছা ও পরিকল্পনা হলো—পৌরসভার অপ্রয়োজনীয় বাজেটের অপচয় কমিয়ে কুমারখালী পৌরসভার সকল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য প্রতি মাসে সম্মানীর ব্যবস্থা করা। তাদের সম্মান ও প্রাপ্য মর্যাদা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
তিনি বলেন, কুমারখালী উপজেলার সকল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের নিয়ে সমাজের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ যেন পাই—এই দোয়া সবার কাছে প্রার্থনা করছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ভালো কাজ করার তৌফিক দান করুন।
সবুজ আরো বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে আমাদের এই উদ্যোগে যদি মসজিদের বিভিন্ন দায়িত্ব প্রাপ্ত সম্মানীতদের মুখে সামান্য হাসি ফোটে, তাহলেই আমরা নিজেদেরকে সফল মনে করব। তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে আমার এই উদ্যোগ উপজেলা ব্যাপী অব্যহত থাকবে। আগামীতে বিভিন্ন মাদ্রাসা, মক্তব ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহায়তা করবো ইনশাআল্লাহ।
ক্যাপশন# কুমারখালী (কুষ্টিয়া) : ঈদুল ফিতর উপলক্ষে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মধ্যে উপহার সামগ্রী বিতরণ

